আলোড়ন নিউজ
Lead News জাতীয়

আত্মীয়ের বাড়িতে’ আত্মগোপনে ছিলেন সম্রাট

  • 177
  • 55
  • 11
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    245
    Shares

নিজস্ব প্রতিবেদক, আলোড়ন নিউজ : ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিডঅ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

 

রোববার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

এ সময় তার সহযোগী আরমানকেও গ্রেফতার করে র‌্যাব।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যে বাড়ি থেকে সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি তার আত্মীয়ের। বাড়িটির মালিকের নাম মনিরুল ইসলাম। তবে তার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি।

 

জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামটি সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। ধারণা করা হচ্ছে, ভারতে পালিয়ে যেতে সম্রাট তার আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

 

কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গভীর রাতে ওই এলাকায় একটি বাড়ি র‌্যাবঘিরে রাখে। পরে সম্রাটকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

 

আলকরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গণমাধ্যমকে বলেছেন, ঘটনার সময় তিনি এলাকায় ছিলেন না। তবে স্থানীয়রা তাকে ফোন করে ঘটনা সম্পর্কে বলেছেন।

 

একাধিক গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে ঢাকাতেই অবস্থান করছিলেন সম্রাট। এ সময় তিনি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারিতে ছিলেন। ঢাকায় তিনি প্রভাবশালী নেতার বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

 

র‌্যাবেরলিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, রোববার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়।

 

তবে সম্রাটকে গ্রেফতারের বিস্তারিত তথ্য দেননি র‌্যাবেরএই কর্মকর্তা। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

 

প্রসঙ্গত আলোচিত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ঢাকার জুয়াড়িদের কাছে ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত। জুয়া খেলাই তার পেশা ও নেশা। প্রতি মাসে ঢাকার বাইরেও যেতেন জুয়া খেলতে।

 

সম্প্রতি রাজধানীতে ক্লাব ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে র‌্যাবেরহাতে ধরা পড়েন সম্রাটের ডান হাত হিসেবে পরিচিত যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া।

 

এর পর ধরা পড়েন রাজধানীর টেন্ডার কিং আরেক যুবলীগ নেতা জিকে শামীম। এ দুজনই অবৈধ আয়ের ভাগ দিতেন সম্রাটকে। তারা গ্রেফতার হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাটের অবৈধ ক্যাসিনো সাম্রাজ্য নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন। প্রকাশ্যে চলে আসে সুন্দর অবয়বের আড়ালে সম্রাটের কুৎসিত জগত। এতে করে বেকায়দায় পড়েন সম্রাট।

 

এর পর গা ঢাকা দেন যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। আড়ালে থেকেই গ্রেফতার থেকে বাঁচতে নানা তৎপরতা শুরু করেন। ফন্দিফিকির শুরু করেন কীভাবে নিজেকে বাঁচানো যায়।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে সরকারের উচ্চ মহলের ‘গ্রিন সিগন্যালের’ অপেক্ষায় ছিল।

Related posts

নির্ধারিত সময়ের ৭ ঘণ্টা পর দেশের মাটিতে ‘হংসবলাকা’

Ashish Mallick

তুই মানুষ নাকী-রোহিঙ্গা??

Ashish Mallick

শিক্ষিত লোকেরাই অপরাধ বেশি ঘটাচ্ছে : আইনমন্ত্রী

Ashish Mallick

Leave a Comment

* By using this form you agree with the storage and handling of your data by this website.