আলোড়ন নিউজ
Lead News সারাদেশ

সাতক্ষীরার প্রতিভাবান কন্ঠশিল্পী সুতপা মন্ডল বড় হয়ে লতা মুঙ্গেশকারের মত শিল্পী হতে চাই।

  • 152
  • 48
  • 12
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    213
    Shares

নিজস্ব প্রতিবেদক,আলোড়ন নিউজ: কথায় বলে সৃস্টিকর্তা যা করেন মঙ্গলের জন্য করেন,তেমনী কয়েকদিন ধরে ফেইচবুকে পোস্ট হওয়ায় সাতক্ষীরার মেয়ে সুতপা মন্ডল এখন ভাইরাল। যখন ভারতের রেলস্টেশনে গান গেয়ে সেলিব্রেটি বনে যাওয়া রানু মন্ডলের প্রশংসায় ব্যস্ত তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ল বাংলাদেশি খুদে প্রতিভা সুপতা মন্ডলের গান।
উপমহাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী লতা মুঙ্গেশকারের কালজয়ী ‘যারে যারে উড়ে যারে পাখি ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হয়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি’ গানটি হৃদয় দিয়ে গাইছে সে। এতটুকুও ভুল নেই সুরে। যেখানে যেভাবে সুর ঢেলে দিতে হবে ঠিক সেভাবেই গাইছে ওই স্কুলছাত্রী।

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর ওই শিক্ষার্থীর প্রশংসায় মেতেছে নেট দুনিয়া। হু হু করে ভাইরাল হচ্ছে তার গানটি। গানে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই তাকে বাংলাদেশের সঙ্গীতভূবনের এক নতুন আবিস্কার বলে মন্তব্য করেছেন।
ভিডিওর ওই খুদে শিল্পী সুপতা মন্ডল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কোদন্ডা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃনাল মন্ডল ও মায়ের নাম সুমনা মন্ডল।
আশাশুনি উপজেলার কোদান্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী সুতপা। বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে টিফিন পিরিয়ডে শিক্ষকদের নির্দেশেই গানটি গায় সুতপা। আর সে গান রেকর্ড করে রঞ্জন সরকার নামে ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ফেসবুকে আপলোড করেন, এবং পূর্বো অপরিচিত জের ধরে ঢাকার নারায়নগঞ্জে বসবাস রত সাতক্ষীরার সন্তান সাংস্কৃতিক প্রিয় আরেক ব্যক্তির কাছে পৌছায় ঝড়ের গতিতে প্রচার হয়ে যাই দেখে প্রসংশা করে হাজারো মানুষ। এর পরই তা ছড়িয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়।

জানা গেছে, সুতপার বাবা মৃন্যাল মন্ডল কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের ঘোনা দাখিল মাদ্রাসার সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক।মেয়ের এই প্রতিভার বিষয়ে তিনি বলেন, আমার মেয়ের গলায় সুর ঢেলে দিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা। ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি বেশ আগ্রহী সুতপা। তখন সবেমাত্র স্কুলে ভর্তি হয়েছে সে। একদিন মাদ্রাসা থেকে বাসায় ফিরে দেখি মোবাইল ফোনে গান শুনে ঠিক সেভাবেই গাইছে সে।
গানে যে তার বেশ দখল রয়েছে তা বুঝতে আর বাকি থাকেনি আমার। গানের গলা ভালো দেখে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তাকে হারমোনিয়াম কিনে দিই। সেটা দিয়েই গানে হাতেখড়ি হয় সুতপার। পরে স্থানীয় শিক্ষক মান্নান স্যারের কাছে গিয়ে সঙ্গীত শাস্ত্রের স্বরলিপি রাগ শেখে সুতপা।

সুতপাকে ভবিষ্যতে আন্তজাতিক পর্যায়ে শিল্পী হিসেবে তৈরি করতে চান মৃন্যাল মন্ডল।
কোদান্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তুষার ইমরান বলেন, শিশু শ্রেণি থেকেই ভালো গান করত সুতপা। প্রথম দিকে স্কুলে গান গেয়ে সবাইকে অবাক করে দেয় সে। পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ হওয়ার পর তাকে দিয়েই স্কুলের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাওয়াতাম আমরা। দিন দিন আরো পরিণত হয়ে উঠছে সুতপার গলা।

শুধু বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানেই নয় স্থানীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও গান গেয়েছে প্রশংসা কুড়িয়েছে সুতপা।

Related posts

আসছে উপজেলা নির্বাচনের তফসিল

Ashish Mallick

মালদ্বীপে প্রাচীন প্রবাল মসজিদে সহায়তা নরেন্দ্র মোদীর

Ashish Mallick

সংখ্যালঘু পরিবারের জমি জবরদখল করতে চাই একটি প্রভাবশালী মহল।

Nurul Alam

Leave a Comment

* By using this form you agree with the storage and handling of your data by this website.