আলোড়ন নিউজ
Lead News রাজনীতি সারাদেশ

কেএন-৯৫ মাস্ক আমদানির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা জড়িত থাকা খবরটি অসত্য

নিজস্ব প্রতিবেদক: সম্প্রতি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সার্জিক্যাল মাস্ক আমদানি করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বলে দাবী করে উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ তুলে ধরা হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নাম/বেনামে গুটি কয়েক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে। তবে আনীত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ অসত্য।

তৃনমূল থেকে উঠে আসা এ ধরনের কেন্দ্রীয় নেতা সম্পর্কে না জেনে জনগণের মাঝে মিথ্যা তথ্যে সাজানো সংবাদ প্রকাশ করা এক ধরণের অপরাধের সামিল।

আমিনুল ইসলাম আমিনের থাকা এক স্বত্ত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স তার বন্ধুকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধার্যকৃত এক’শ টাকার স্ট্যাম্পে যথাযথ অঙ্গীকার নামা নিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি আদৌ কখনো স্বাস্হ্য অধিদপ্তর বা ঔষধ প্রশাসনে যাননি। এমনকি কাউকে কখনো কাজের জন্য তদবির বাবদ ফোনও করেননি । দেশে সাধারণত একজনের লাইসেন্সে অন্যজন ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে যেহেতু বাধ্যবাধকতা ছিল না সেহেতু তার বন্ধুও সমস্ত দায়-দায়িত্ব নিয়ে লাইসেন্স ব্যবহার করেছেন।

পাঠকের সুবিধার্থে আনীত অভিযোগটি মিথ্যের প্রেক্ষিতে প্রমাণসহ ঘটনাটির পূর্ণ বিবরণী তুলে ধরা হলো:


চুক্তিনামার প্রথম পাতায় লেখা ছিল, আমিনুল ইসলাম আমিনের দীর্ঘদিনের বন্ধু মো: তাজুল ইসলাম তার সম্পূর্ণ বিবরণী তুলে ধরে অঙ্গীকার করেছিল যে, তিনি বিভিন্ন প্রকার ব্যবসার সহিত জড়িত ও অনেক বছর ধরে সুনামের সহিত ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে আসতেছে।

চুক্তিনামার দ্বিতীয় পাতায় লেখা ছিল,বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে ঔষধ প্রশাসনের ব্যবসায়িক কাজে অংশগ্রহণ করার জন্য আমার ( তাজুল ইসলামের) পূর্ব পরিচিত বন্ধু আমিনুল ইসলাম আমিনের থাকা ব্যবসায়িক ফার্ম ”এলান কর্পোরেশন” প্রতিষ্ঠানটির নামে আমি ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করিতে করিতে চাহিলে জনাব আমিনুল ইসলাম ইহাতে সম্মতি প্রদান করেন।তাই অদ্য ২৫/০৩/২০২০ ইং তারিখ হইতে উপরে উল্লেখিত ঔষধ প্রশাসনে আমি উক্ত ”এলান কর্পোরেশন” এর নাম ব্যবহার করত: যাবতীয় কাজকর্ম করিব এবং উহার সমস্ত দায় দায়িত্ব বহন করিব। ইহাতে ”এলান কর্পোরেশন” এর মালিক আমিনুল ইসলাম এর কোন দায়-দায়িত্ব থাকিল না। অদ্য হইতে ঔষধ প্রশাসনের কাজে ”এলান কর্পোরেশন” এর সমস্ত কাজের তদারকি আমি নিজে করিব এবং ইহাতে জনাব আমিনুল ইসলাম কোন আপত্তি করিবে না এবং করিলে তা সর্বাদলতে বাতিল ও অগ্রাহ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

চুক্তিনামার তৃতীয় পাতায় দিদারুল আলম, মো: জাকির হোসেন ও জিল্লুর রহমানের স্বাক্ষীর মধ্য দিয়ে মো: তাজুল ইসলাম স্বজ্ঞানে স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন।

এ নিয়ে চট্টগ্রামের এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, আমিনুল ইসলাম একজন রাজনীতিবীদ শুধু নন তিনি বারবার মনোনীত একজন কেন্দ্রীয় নেতা। যার ৫০ হাজার পিস মাক্স সরবরাহ করার কখনো প্রয়োজন পড়ে না। আবার একজন রাজনীতিবীদ তার শুভাকাঙ্খি বা বন্ধুকে তার লাইসেন্স চাইলে না দিয়েও পারেননা, যেটা হয়ত আমি বা আপনিও পারবনা। আমরা সত্যটা না জেনে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকব এটাই প্রত্যাশা ।

Related posts

ছবির ওপর নির্ভর করছে আপনার ব্যক্তিত্ব

Animesh Roy

মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

Ashish Mallick

বেশি দামে মাস্ক বিক্রি করায় লাখ টাকা জরিমানা, একজনকে কারাদণ্ড

Ashish Mallick

Leave a Comment

* By using this form you agree with the storage and handling of your data by this website.