আলোড়ন নিউজ
Lead News সারাদেশ স্বাস্থ্য

করোনার কাছে হেরে গেলেন নারায়ণগঞ্জের স্বনামধন্য চিকিৎসক আলী আজগর

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জের স্বনামধন্য চিকিৎসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মো. আলী আজগরের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকাল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১০ থেকে ১২ দিন আগে তার জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। করোনার লক্ষণ থাকায় তিনি বাড়িতে আইসোলেশনে ছিলেন। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।

নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন ও সার্জারির অবসরপ্রাপ্ত এ চিকিৎসক নারায়নগঞ্জের ডিআইটি এলাকায় ইভা মেডিকেল হলে ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখতেন। করোনাকালীন সময়েও তিনি রোগী দেখা অব্যাহত রেখেছিলেন। চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়েই তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তার মৃত্যুতে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সসিবিলিটি (এফডিএসআর) গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

করোনায় এ পর্যন্ত যে সকল চিকিৎসকের মৃত্যু :

১. সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মঈন উদ্দীন । গত ১৫ এপ্রিল রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

২. গত ৩ মে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজিস্ট অধ্যাপক কর্নেল (অব.) ডা. মো. মনিরুজ্জামান।

৩. করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান রাজধানীর নর্দার্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ এবং ফরেনসিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আনিসুর রহমান। গত ১১ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

৪. প্রখ্যাত রেডিওলজিস্ট মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) ডা. আবুল মোকারিম মো. মোহসিন উদ্দিন। গত ১২ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) একাদশ ব্যাচের এ শিক্ষার্থী।

৫. একই মেডিকেলের ত্রয়োদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. মো. আজিজুর রহমান রাজু মারা যান গত ১৮ মে। তিনি রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

৬. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক ডা. এম এ মতিন। করোনার উপসর্গ নিয়ে সিলেট শামসুদ্দিন আহমেদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২২ মে মারা যান।

৭. ডা. কাজী দিলরুবা। গত ২২ মে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

৮. চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. এস এম জাফর হোসাইন। গত ২৫ মে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

৯. নারায়ণগঞ্জের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি) ডা. আমিনা খান গত ২৬ মে মারা যান। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

১০. অ্যানেস্থেসিয়া ও আইসিইউ বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুর রহমান। করোনার উপসর্গ নিয়ে গত ২৬ মে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

১১. বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. মোশাররফ হোসেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৭ মে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান।

১২. শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন (আর্মি মেডিকেল কোর) ডা. এ এফ এম সাইদুল ইসলাম। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৮ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান।

১৩. সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের চতুর্দশ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াহিদুজ্জামান আকন্দ বাবলু। তিনি রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩১ মে মারা যান।

১৪. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কনসালট্যান্ট ডা. মনজুর রশিদ চৌধুরী। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২ জুন রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

১৫. চট্টগ্রাম মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. এ এস এম এহসানুল করিম। গত ৩ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

১৬. গত ৩ জুন মারা যান রাজধানীর ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবিয়াল বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন। রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

১৭. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত ইভালুয়েশন অফিসার ডা. কে এম ওয়াহিদুল হক। তিনি গত ৩ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

১৮. ফরেনসিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৪ জুন প্রাইমেট জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯. চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা (ইএমও) ডা. মুহিদুল হাসান। গত ৪ জুন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

২০. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (মেডিসিন) অধ্যাপক ডা. এন আই খান মারা যান গত ৪ জুন।

২১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এস এ এম গোলাম কিবরিয়া। তিনি গত ৪ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

২২. রংপুর মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. এহসানুল কবির চৌধুরী গত ৪ জুন মৃত্যুবরণ করেন। তিনি রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

২৩. অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র মেডিকেল অফিসার (সাভার ইপিজেড) ডা. আবুল কাশেম খান। করোনার উপসর্গ নিয়ে গত ৬ জুন রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

২৪. রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও পরিচালক (মেডিকেল সার্ভিসেস) ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ৭ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

২৫. গত ৮ জুন মারা যান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. রাজিয়া সুলতানা। তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

২৬. ময়মনসিংহের ল্যাবএইড হাসপাতালের কনসালট্যান্ট (অ্যানেস্থেসিয়া) ডা. সাখাওয়াত হোসেন। গত ৮ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

২৭. বরিশালের রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. আনোয়ার হোসেন। গত ৯ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

২৮. রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. জলিলুর রহমান। গত ৯ জুন ইমপালস হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

২৯. গত ১০ জুন মারা যান রাজধানীর জেড এইচ শিকদার ওমেন্স মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. তানজিলা রহমান। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

৩০. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. গাজী জহিরুল হাসান। গত ১২ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

৩১. গত ১২ জুন মৃত্যুবরণ করেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি বিভাগ) ডা. মাহমুদ মনোয়ার।

৩২. রাজধানীর জেড এইচ শিকদার ওমেন্স মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল হক। করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১২ জুন মারা যান।

৩৩. ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. আরিফ হাসান। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১২ জুন মারা যান।

৩৪. রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। গত ১৩ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

৩৫. চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ১৭তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষাথী ডা. সাদেকুর রহমান ১৪ জুন মারা যান। তিনি চট্টগ্রাম মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

৩৬. একই দিন মারা যান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (ডেন্টিস্ট্রি) ডা. নজরুল ইসলাম। রাজধানীর মহাখালীতে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশে (আইসিডিডিআরবি) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

৩৭. সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ও বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. একেএম মুজিবুর রহমান মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোর সাড়ে ৫টায় মারা যান। রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসারত অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

৩৮. চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের সিনিয়র আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. নুরুল হক বুধবার (১৭ ‍জুন) ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

৩৯. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের অবসরপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আশরাফুজ্জামান (৬২) বুধবার (১৭ ‍জুন) সকাল ৮ টার দিকে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

৪০. দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. মো. শাহ আব্দুল আহাদ (৬৭) বুধবার (১৭ ‍জুন) সকাল ৮ টার দিকে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

৪১. এনাম মেডিকেল কলেজের এনডোক্রাইনোলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. রফিকুল হায়দার লিটন বুধবার (১৭ ‍জুন) সকাল ৯ টার দিকে এনাম হাসপাতালে স্থানান্তরের সময় পথে অ্যাম্বুলেন্সেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

৪২.গত ১৮ জুন মার্কস মেডিকেল কলেজের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. জান্নাতুন নাঈম চট্টগ্রামে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তবে তার আগে গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস এবং পরবর্তীতে অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরিতে ভুগছিলেন।

৪৩. বরিশাল সরকারি সদর হাসপাতালের চর্ম ও যৌন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. এমদাদ উল্লাহ খান শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ১২তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন।

৪৪. রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালের জেনারেল সার্জন ডা. বজলুর রহমান (৬৭) শনিবার (২০ জুন) রাত সাড়ে ১০টায় ইমপালস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

সৌদি আরবে বাংলাদেশী চিকিৎসকের মৃত্যু:
১. বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আফাক হোসেন মোল্লা সর্বপ্রথম গত ৩১ মার্চ মদিনার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। একই শহরের সাফা আল মদিনা ক্লিনিকে কর্মরত অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হন ডা. আফাক। তিনি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের সন্তান।

২. ১৯ মে ২০২০ জেদ্দাস্থ “বিন লাদেন পলি ক্লিনিক” এ কর্মরত ডা. আবদুর রহিম

“করোনা” আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া উপজেলার আমিরাবাদ-এর অধিবাসী ছিলেন।
৩. ৯ জুন রাতে রিয়াদে মৃত্যুবরণ করেন, ডা. রনক মোহাম্মদ শফি উল্লাহ্ (এমআরসিপি – ইউকে)। তিনি সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাজধানী রিয়াদের কিং সালমান হাসপাতালে সিনিয়র ইন্টারনিষ্ট কনসালটেন্ট হিসাবে কর্মরত ছিলেন। মেধাবী এই চিকিৎসক সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ২৪ তম ব্যাচের ছাত্র। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায়।

৪. ১৩ জুন ২০২০, রিয়াদস্থ “বদরুদ্দীন পলি-ক্লিনিক” এ কর্মরত ডা. মো. আনোয়ার উল হাসান, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

৫. ১৬ জুন ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ইন্তেকাল করেন। তিনি সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অধীনে মদিনায় কর্মরত ছিলেন। ডাঃ মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, ১৮তম ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন এবং চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালি উপজেলার অধিবাসী।

নিউইয়র্কে করোনায় বাংলাদেশি চিকিৎসকের মৃত্যু:

১. গত ৬ এপ্রিল ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার উদ্দিন নিউইয়র্ক সিটির প্রথম বাংলাদেশি ডাক্তার হিসাবে মৃত্যুবরণ করেন।তিনি মারা যান নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস নর্থ হাসপাতালে। তিনি সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা ডা. ইফতেখার উদ্দিন নিউইয়র্কের একজন নামকরা এপিডেমিওলজিস্ট ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে নিউইয়র্ক স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

২. গত ৮ এপ্রিল মধ্যরাতের লং আইল্যান্ডের মানহাসেটের একটি হাসপাতালে ডা. রেজা চৌধুরী শেষ নিঃশাস ত্যাগ করেন। তিনি পার্কচেষ্টারে ‘ওয়েস্ট চেস্টার মেডিক্যাল হেলথ কেয়ার’ এর স্বত্বাধিকারী ছিলেন।

৩. গত ১৫ এপ্রিল ডা. শামীম আল মামুন এলআইজে হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ডা. শামীম আল মামুন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকডেইল হাসপাতালে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি বাংলাদেশের সিলেট মেডিকেল কলেজের ১৪তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন।

৪. গত ৩১ মে ডা. কাজী জিয়াউদ্দিন আহমেদ (৭২) স্ট্যাটেন আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে মারা যান। ডা. জিয়াকে নিয়ে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৮ জন বাংলাদেশি আমেরিকান চিকিৎসক মারা গেলেন।

করোনায় সন্দেহভাজন মৃত্যু

১. ফরেনসিক মেডিসিনের অধ্যাপক ডা. আনিসুর রহমান গত ১১ মে মারা যান। তিনি ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ১১ত ব্যাচের শিক্ষার্থী।
২. গত ২২ মে মারা যান চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনালে হাসপাতালের ডা. জাফর হোসাইন রুমি।
৩. গত ২৮ মে মারা যান ডা. তাজুদ্দিন।
৪. ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এন আই খান ৪ জুন ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
৫. গত ৩ জুন মারা যান অধ্যাপক ডা. মাহবুবুর রহমান খান।

Related posts

তাপসকে যুবলীগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে

Ashish Mallick

স্ত্রী-মেয়েকে হত্যাকারী পাষণ্ড স্বামী শফিকুল গ্রেফতার

Ashish Mallick

ভাতের প্লেটে চুল পেয়ে স্ত্রীর মাথা ন্যাড়া করলেন স্বামী

Ashish Mallick

Leave a Comment

* By using this form you agree with the storage and handling of your data by this website.