আলোড়ন নিউজ
Lead News অর্থনীতি সারাদেশ

বেনাপোল বন্দরে অনিদিষ্ট কালের জন্য আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ

মোঃ জসীম উদ্দীন,বেনাপোল প্রতিনিধি: ভারতে বাংলাদেশী পণ্য রফতানীর দাবীতে বেনাপোলে বন্দরে বুধবার সকাল থেকে ভারত বাংলাদেশ দুদেশের মধ্যে সকল প্রকার বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।

বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট স্টাফ এ্যাসোসিয়েশন বুধবার সকাল থেকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানি পন্য প্রবেশে বাধা দেওয়ায় ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানীকৃত সকল পণ্যের আমদানী কার্যক্রম অনিদিষ্ট কালের জন্য বন্ধ রেখেছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশী রফতানকিৃত পন্য গ্রহন না করা পর্যন্ত অনিদিষ্ট কালের জন্য এপথে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে বলে স্টাফ এসোসিয়েশনের নেতারা জানিয়েছেন।

নানা দেন-দরবার শেষে কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে বন্ধ থাকা আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চালু করতে সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের স্থলবন্দরগুলো খুলে দেয়া হয়। কিন্তু ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য প্রবেশ স্বাভাবিক থাকলেও বাংলাদেশ থেকে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ট্রাক ঢুকতে দিচ্ছে না ভারত। বিষয়টি দুদেশের মধ্যকার চুক্তির লঙ্ঘণ হিসেবে দেখছেন বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।

সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে প্রায় ৮০দিন দুদেশের মধ্যকার বাণিজ্য বন্ধ থাকায় দুই দেশের অর্থনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বাণিজ্য স্বাভাবিক করতে প্রথমে উদ্যোগ নেয় ভারত। দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি ও উন্নয়নে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে বাংলাদেশের বাণিজ্য, পররাষ্ট্র এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়সহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক হয়।
এ ছাড়া একাধিক ফোনকল ও ভার্চুয়াল বৈঠকে বাণিজ্য স্বাভাবিক করার বিষয়ে জোর দিতে থাকে ভারত। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য নিয়ে বৈঠক হয়। এসব বৈঠকের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ জুন থেকে বাংলাদেশে পণ্য রফতানি শুরু করে ভারত। তবে বাংলাদেশি পণ্য দেশটিতে প্রবেশে বাধা পেতে থাকে।

দেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল। স্থলপথে আমদানি -রফতানি বাণিজ্যের প্রায় ৭০ ভাগ সম্পাদিত হয়ে এ বন্দর দিয়ে। প্রতি বছর প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার পণ্য ভারতে রফতানি হয়। অপর দিকে আমদানি হয় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার পন্য।কিন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় ২২ মার্চ থেকে স্থলপথে আমদানি, রফতানি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। রফতানিকারকদের দাবি, আড়াই মসের অধিক এ পথে রফতানি বাণিজ্য বন্ধে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, ৭ জুন থেকে বেনাপোল বন্দরে পুনরায় আমদানী কার্যকর হলেও ভারত বাংলাদেশ থেকে কোন পণ্য আমদানী করছে না। ফলে ভারতের সাথে আমাদের ব্যাপক বানিজ্য ঘাটতি বেড়ে যাচ্ছে। গত ২৪ দিনে বেনাপোল দিয়ে রেল ও সড়ক পথে প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন পণ্যের আমদানী হলেও বাংলাদেশ থেকে এক ট্রাক বাংলাদেশী পণ্যও ভারতে রফতানি হয়নি।আমরা বাংলাদেশী রফতানি কারকদের কথা চিন্তা করে বেনাপোল বন্দরের সাথে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের আমদানি বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছি।ভারতীয় কর্তৃপক্ষ রফতানি কৃত পন্যবাহী ট্রাক গ্রহন করলে দু’দেশের মধ্যে পুনারায় আমদানি বানিজ্য শুরু হবে।

উপ-পরিচালক বেনাপোল স্থলবন্দরের মামুন কবীর তরফদার জানান, ভারত থেকে পন্য আমদানির বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,দু’দেশের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বেনাপোল বন্দরে পন্য ওঠা নামাসহ বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক আছে।

Related posts

ঈদে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন

SULTAN AHMMAD RAJU

ঠাকুরগাঁওয়ে র‌্যাবের অভিযান বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গ্রেফতার-১

Ashish Mallick

করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী’র ১ কোটি টাকা অনুদান

Ashish Mallick

4 comments

ปั้มไลค์ July 2, 2020 at 6:04 pm

Like!! I blog frequently and I really thank you for your content. The article has truly peaked my interest.

Reply
ทิชชู่เปียกแอลกอฮอล์ July 2, 2020 at 6:06 pm

I like the valuable information you provide in your articles.

Reply
กรองหน้ากากอนามัย July 2, 2020 at 6:07 pm

I really like and appreciate your blog post.

Reply
เบอร์สวย July 2, 2020 at 6:08 pm

I like this website very much, Its a very nice office to read and incur information.

Reply

Leave a Comment

* By using this form you agree with the storage and handling of your data by this website.