আলোড়ন নিউজ
Lead News রাজনীতি

এই যেনো বানুমতির খেলা!

হঠাৎ করে একটি ঘটনা ঘটে ( নাকি ঘটানো হয়) সে ঘটনা টির কুল- কিনারা হবার আগেই আরেকটি ঘটনা ঘটে, ফলে দেখা যায়, পূর্বের ঘটনা গুলোর আশ্রয় -প্রশয় দাতা গডফাদার, গডমাদার, সুবিধা ভোগী কুশিলবগন আড়ালে থেকে যান। আবার নতুন করে, সম্রাট, খালিদ, জি, কে, পি,কে,পাপিয়া, শাহেদ দের আবির্ভাব হয়। সকল বিবেকবান ভদ্র মহোদয় গন একটু ভাবুন তো খুঁটির জোর ছাড়া ওরা (পঙপালের দল) কিভাবে বছরের পর বছর সমস্ত আইন – কানুন, নিয়ম,নীতি পায়ে পিষ্ট করে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক,এমনকি অসহায় মানুষ গুলোর জীবন নিয়ে খেলা করে। কিভাবে অতি সহজে রাজা,উজির,রতি- মহারতি দের খাস কামড়ায় ঢুকে যায়। কিভাবে রং-বেরঙের ছবি তুলে জাতির সামনে, দলের ত্যাগী, অবহেলিত, নিবেদিত কর্মীদের মর্ম বেদনা তৈরি করে। দলের অসংখ্য নেতা কর্মী জীবনের সব হারিয়ে, চাইলেও মন্ত্রী, এম, পি দের সাথে দেখা করতে পারে না। প্রসংগতঃ বলতে হয়, কয়েক দিন আগে এক রাজনৈতিক ছোট ভাই আমাকে অনুরোধ করলো একজন পাওয়ারফুল মন্ত্রী, যিনি গত দুই টার্ম মন্ত্রী হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন,তার সাথে দেখা করতে যাবে। আমি বললাম উনি আমাকে চিনবেন না। কারণ ৮০/৯০ দশকে একসাথে রাজপথে থাকলেও গত দুই টার্ম মন্ত্রী থাকাকালীন একবারের জন্য উনার সাথে দেখা হয়নি। উনি আমাকে মনে নাও রাখতে পারেন। কাজেই আমাকে নিয়ে লাভ হবে না। তবুও সে নাছাড় বান্দা আমাকে যেতেই হবে, বলে আমি সাথে থাকলে সে সাহস পাবে। কি আর করা, ভাবলাম অনেক দিন ঘরবন্দী একটু ঘুরা হলো, আর দেখি মন্ত্রী মহোদয় চিনেন কিনা। কিছু সময়ের মধ্যে পৌঁছে গেলাম। পৌঁছে যথারীতি খবর পাঠানো হলো। ভেতর থেকে বলা হলো অপেক্ষা করতে হবে। দেরি হবে। বুকের মধ্যে কাঁপন শুরু হয়ে গেলো। অপেক্ষার রাস্তা টি না জানি কতো দীর্ঘ। মোটামুটি তিনঘণ্টা পর অচেনা একলোকের সাহায্যে ভেতরে গেলাম। দেখা হলো কথা হলো না। চিনলেন না। আমিও পরিচয় দিতে চাইলাম না। তবে ঐ যে তিনঘণ্টা সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা, আমার কাছে মনে হয়েছে, আমি এিশ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছি এবং আমার চাইতে অসহায় মানুষ পৃথিবীতে আর কেউ নেই। থানা ছাত্রলীগ, মহানগর, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগ সহ ৪০ বছর ধরে কেন্দ্রীয় রাজনীতি করে তিনঘণ্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অথচ পাপিয়া, শাহেদ গং রা যাদের রাজনৈতিক অতীত নেই, ৩২ মামলার আসামী, অপরাধ, অপকর্মই যাদের একমাত্র যোগ্যতা, সে নর্তকী, ডাকাত, বাটপার গুলো অবাধে যেখানে সেখানে যাওয়া আসা করছে। কতো যত্ন – আত্মীয়, ভালোবাসা। যাদুর কাটি দিয়ে সবাইকে বশ করে দিব্বি টাকার পাহাড় গড়ে তুলছে। কেউ তাদের অপকর্ম গুলো দেখে না। সবাইকে যাদুর কাটি দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে। কিন্তু এই পরগাছাদের দায় এখন দল,ও সরকারকে বহন করতে হচ্ছে হয়তো কোনো একদিন আজ যারা ভুখা- নাঙা,অবহেলিত, দলে থেকেও বিরোধী দলে অবস্থান করছে তাদেরকে জীবন দিয়ে পরিশোধ করতে হবে। বসন্তের কোকিল কোকিলা রা,সুখের পায়রা গুলো কাঁধে কাধঁ মিলিয়ে মজা লুটছে তাদের পাওয়া যাবে না। খুব ইচ্ছে করে এই সকল অপরাধী এবং তাদের লালন – পালন কারী, আশ্রয় – পশ্রয় দাতা, সুযোগ দেনেওয়ালা, সুযোগ লেনেওয়ালা দের সামাজিক, রাজনৈতিক, ও প্রশাসনিক কঠিন শাস্তি দেখতে। কিন্তু ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখে ভয় করে। কারণ তাদের উঠা বসা নাই কার সাথে …………??????

লেখক – মহিউদ্দিন আহমেদ হেলাল, সাবেক সহ-সভাপতি,কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও ৯০ দশকের মেধাবী -ত্যাগী ছাত্রনেতা

Related posts

মিনি স্ট্রোকের কারণ ও লক্ষণ

Ashish Mallick

আসছে মহাবিপদ, নিমিষেই ডুবে যাবে পৃথিবী!

Ashish Mallick

ক্লাসে ফিরছেন সিকৃবি শিক্ষার্থীরা, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ আগামীকাল।

Nurul Alam

4 comments

ปั้มไลค์ July 10, 2020 at 1:57 am

Like!! Really appreciate you sharing this blog post.Really thank you! Keep writing.

Reply
ทิชชู่เปียกแอลกอฮอล์ July 10, 2020 at 1:58 am

Thank you ever so for you article post.

Reply
เบอร์สวยมงคล July 10, 2020 at 2:00 am

I am regular visitor, how are you everybody? This article posted at this web site is in fact pleasant.

Reply
SMS July 10, 2020 at 2:01 am

Very good article! We are linking to this particularly great content on our site. Keep up the great writing.

Reply

Leave a Comment

* By using this form you agree with the storage and handling of your data by this website.